Saturday, November 10, 2012

নিজের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখবে

পরীক্ষাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এ সময়টা তোমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি। তাই সময় নষ্ট না করে প্রত্যেকটি বিষয়ে বিশেষ করে একটু কঠিন কিংবা বাদ পড়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রিভিশন করো। আর সেই সঙ্গে যা শিখছ তা খাতায় লিখবে। এতে করে পড়া মনে থাকার পাশাপাশি হাতের লেখা সুন্দর হবে। ভালো ফলের জন্য 'হাতের লেখা' একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো ফল করার জন্য শুধু পড়ালেখা করলেই হবে না, পরীক্ষায় ঠিকমতো অংশ নেওয়া, উত্তরপত্রে সঠিকভাবে উত্তর উপস্থাপন করা এবং স্পষ্ট ও সুন্দর হাতের লেখা_ এ সব কিছুর ওপর নির্ভর করে একটি ভালো ফল।
প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েই প্রথম থেকে কয়টি প্রশ্ন দিতে হবে এবং সব প্রশ্ন পড়বে তারপর যে প্রশ্নগুলোয় বেশি নম্বর পেতে পারো সেগুলো নির্বাচন করে সবচেয়ে ভালো এবং সহজ মনে হয় সেটা সবার প্রথমে লিখবে। কারণ শুরুতেই একটি ভালো উত্তর দেখে পরীক্ষার্থী সম্পর্কে পরীক্ষকের ভালো ধারণা জন্মায়। প্রত্যেকটি উত্তর লেখার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্নের নম্বর ওপরে দিয়ে নেবে। অবশ্যই মার্জিন টানবে। কোনো উত্তর ছেড়ে আসবে না। সময় অল্প হলে সংক্ষেপে হলেও সব উত্তর করবে। ঘণ্টা পড়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে খাতায় লেখা শেষ করবে, যাতে সব রিভিশন দেওয়ার সময় থাকে। সেই সঙ্গে প্রথম পৃষ্ঠা থেকে রোল নম্বর ঠিকমতো লেখা হলো কি-না চেক করবে। মনে রাখবে, হল পরিদর্শক যিনি থাকেন তার নির্দেশমতো চলবে। প্রয়োজনে তার পরামর্শ নিতে পারো। খাতা জমা দেওয়ার আগে অ্যাডমিট কার্ডসহ অন্য জিনিসপত্র বক্সে ঢোকাবে, তারপর হল থেকে বেরোবে। প্রথম পরীক্ষাটি ভালো হলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। অতএব মন দিয়ে পড়ো। কবিতার লাইনগুলো মুখস্থ রাখার চেষ্টা করবে। লেখক/কবির নাম, জন্ম-মৃত্যু এবং তার রচনাগ্রন্থ এসব ভালো করে মুখস্থ করবে। মোট কথা, মূল বইটি ভালো করে আত্মস্থ করো। দেখবে পরীক্ষার হলে সব উত্তর পানির মতো সহজ মনে হবে। রচনা যেটি সবচেয়ে ভালো পারো সেটিই সহজ-সাবলীল ভাষায় পয়েন্ট/ প্যারা করে লিখতে চেষ্টা করবে। প্রয়োজনে বিখ্যাত মনীষী, লেখক-সাহিত্যিকের উদ্ধৃতি দিতে পারো। তোমরা পরীক্ষায় সফলকাম হও।

No comments:

Post a Comment