Wednesday, August 28, 2013

চারু ও কারুকলা for JSC Exam

অধ্যায়-২
 চারু ও কারুকলা
১. ব্রিটিশরা এ দেশ কত বছর শাসন করেছিল?
ক. ২০০ বছর খ. ৩০০ বছর
গ. ১৫০ বছর ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. ২০০ বছর
২. ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে কোন দুটি দেশ স্বাধীন হয়?
ক. শ্রীলঙ্কা খ. পাকিস্তান
গ. ভারত ঘ. খ এবং গ
সঠিক উত্তর: ঘ. খ এবং গ ৩. পাকিস্তান গঠিত হয়?
ক. পূর্ব পাকিস্তান খ. পশ্চিম পাকিস্তান
গ. ক ও খ ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. ক ও খ
৪. আইউব খানের মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলনের শুরু হয় কখন?
ক. চল্লিশের দশকে খ. ষাটের দশকের শুরুতে
গ. পঞ্চাশের দশকে ঘ. সত্তর দশকে
সঠিক উত্তর: খ. ষাটের দশকের শুরুতে
৫. ভারত বিভাগের সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে যে মানবিক বিপর্যয় ঘটানো হয়েছিল ছিল তার নাম —
ক. সামপ্রদায়িক দাঙ্গা খ. রাজনৈতিক সমস্যা গ. লুটপাট ঘ. সবগুলো
সঠিক উত্তর: ক. সামপ্রদায়িক দাঙ্গা
৬. ভারত, পাকিস্তানের স্বাধীনতার ইতিহাসে কলঙ্কজনক ঘটনা হচ্ছে —
ক. রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ খ. সামপ্রদায়িক দাঙ্গা গ. দেশভাগ ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. সামপ্রদায়িক দাঙ্গা
৭. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে ধর্ম ছাড়া কোন বিষয়গুলোর মিল ছিল না —
ক. ভাষা ও পোশাক-পরিচ্ছদ খ. জীবনযাপন গ. খাবার ও সংস্কৃতি ঘ. সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ. সবগুলো
৮. পশ্চিম পাকিস্তানের আয়তন পূর্ব পাকিস্তানের চেয়ে বড় হলেও লোকসংখ্যা ছিল শতকরা —
ক. ৪৫ ভাগ খ. ৫০ ভাগ
গ. ৫৫ ভাগ ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. ৪৫ ভাগ
৯. পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলা অঞ্চলের তৎকালীন লোকসংখ্যা ছিল শতকরা —
ক. ৫৫ ভাগ খ. ৫০ ভাগ
গ. ৪৫ ভাগ ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. ৫৫ ভাগ
১০. পূর্ব পাকিস্তানের বেশির ভাগ মানুষের ভাষা ছিল বাংলা। শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ বাংলায় কথা বলত। আর পশ্চিম পাকিস্তানের শতকরা কত ভাগ লোক উর্দুতে কথা বলত?
ক. ১০ ভাগ খ. ১৫ ভাগ
গ. ২০ ভাগ ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. ১৫ ভাগ
১১. পাকিস্তান স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কোন নেতা ঢাকা এসে ঘোষণা দিলেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।
ক. গর্ভনর মুহম্মদ আলি জিন্নাহ খ. ভুট্টো
গ. ইয়াহিয়া খান ঘ. সবাই
সঠিক উত্তর: ক. গর্ভনর মুহম্মদ আলি জিন্নাহ
১২. পূর্ব পাকিস্তানের সংগ্রাম শুরু হয় কত সাল থেকে —
ক. ১৯৪৭ সাল খ. ১৯৪৮ সাল
গ. ১৯৪৫ সাল ঘ. ১৯৫২ সাল
সঠিক উত্তর: খ. ১৯৪৮ সাল
১৩. পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদেশ সংখ্যা ছিল?
ক. ৩টি খ. ৪টি গ. ২টি ঘ. ৫টি
সঠিক উত্তর: খ. ৪টি
১৪. পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদেশভিত্তিক ভাষাগুলোর নাম কী ছিল?
ক. পাঞ্জাবি খ. বেলুচ পশতু
গ. উপজাতীয় মিশ্রিত ভাষা ঘ. সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ. সবগুলো
১৫. পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র-জনতার দাবি ছিল —
ক. উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে ও রাষ্ট্রভাষা করতে হবে খ. তাদের আলাদা করে দিতে হবে
গ. তাদের স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে ঘ. সবগুলো
সঠিক উত্তর: ক. উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে ও রাষ্ট্রভাষা করতে হবে।

ইন্টারনেটে মাতৃভাষায় পড়াশোনা!

ইন্টারনেটে মাতৃভাষায় পড়াশোনা!

ইন্টারনেটে বদৌলতে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এখন অনেকটাই কম্পিউটার ইন্টারনেট নির্ভর। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। ঘরে বসেই বিশ্বের নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পাওয়া যাচ্ছে অনায়াসেই। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়েও ই-লার্নিং চালু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলা ভাষায় স্কুল কলেজের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিয়েছে কয়েকটি ওয়েবসাইট। সময় কিংবা অন্য কোনো কারণে স্কুল-কলেজে নিয়মিত না যাওয়া গেলেও সিলেবাস অনুযায়ি ঘরে বসেই শিক্ষা নেওয়া যাচ্ছে। বাংলা ভাষায় লেখাপড়ার এ বিষয় সম্পর্কে নিয়েই এই লেখা।
নির্দিষ্ট একটি শ্র্রেনীকক্ষ। নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষক লেকচার দিচ্ছেন আর মনযোগ দিয়ে সেটি শ্রবণ করছে একঝাঁক শিক্ষার্থী। দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এমনটি দেখা যায়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানের ভিন্নতাসহ নানা কারণে সব প্রতিষ্ঠানে যে কেউ ভর্তি হতে পারে না। আবার অনেকেই সময়ে অভাবে স্কুল কলেজে গিয়ে নিয়মিত লেখাপড়া করতে পারে না। তথ্য প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা এই চিত্রকে বদলে দিয়েছে। ক্লাসের বিপরীতে এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়াল ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে শিক্ষার্থীরা। ঘরে, বাইরে, বেড়াতে গিয়ে এমনকি ভিন দেশে বসে এখন মাতৃভাষা বাংলাতেই পড়াশোনার সুযোগ এসেছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও আগ্রহী যে কেউ নির্দিষ্ঠ একটি শ্রেণীর লেখাপড়া করতে পারছেন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া ছাড়াই।


যেখানে পড়বেন
ইন্টারনেটে পড়াশোনা বা ই-লার্নিং এর বিষয়টি অনেকটাই নতুন বলা চলে। বাংলাদেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ই-লার্নিং চালু করলেও এই বিষয়টি তেমনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। তবে বিষয়টিকে জনপ্রিয় করার প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি ওয়েবসাইট। এখানে মাধ্যমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। এমন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ওয়েবসাইট হলো শিক্ষক ডট কম , যন্ত্রগনক ডট কম এডুকেশন বিডি ডট অর্গ । এসব ওয়েবসাইট বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেকচার প্রকাশ করা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের স্কুলের বাইরে মেধা যাচাই করা, পরীক্ষা দেওয়ার  জন্যও বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চ্যাম্পস২১ .
স্কুল কলেজের পড়াশোনার জন্য এডুকেশন বিডি
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী অনলাইনে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছে এই ওয়েবসাইটটি। এখানে অষ্টম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ও বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের উপর অধ্যায়ভিত্তিক নিয়মিত লেকচার প্রকাশ করা হয়। এসএসসি এর বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা, ইংরেজি, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ব্যবসায় শিক্ষা, ব্যবসায় উদ্যোগ ও কৃষি শিক্ষা বিষয়ে সিলেবাস অনুযায়ি ধারাবাহিক শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এইচএসসির বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা, ইংরেজি, উচ্চতর গনিত, পদার্থ বিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান, পৌরনীতি, ভূগোল, ইসলাম শিক্ষা, ইতিহাস, কৃষি শিক্ষা, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ও সমাজকল্যাণ। প্রয়োজনীয় তথ্যউপাত্ত সম্বলিত এসব বিষয়ের ধারাবাহিক লেকচার পড়ে একজন শিক্ষার্থী সম্যক জ্ঞান পাবে। কোনো বিষয় না বুঝলে কমেন্টে আলোচনা করার সুযোগ রয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্যও রয়েছে আলাদা একটি বিভাগ। বিভিন্ন সালের বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নোত্তরসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। এসব লেকচার থেকে সহজেই একজন পরীক্ষার্থী সহজেই তার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন। বিভিন্ন পরীক্ষার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে সাইটটিতে। এছাড়া সাইটটিতে নিয়মিত কুইজে অংশগ্রহণ করে পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে। সাইটটির ঠিকানা:
বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনায় শিক্ষক ডট কম
বাংলায় অনলাইনে মুক্ত জ্ঞানের মেলা স্লোগানকে ধারণ করে গত আগষ্টে যাত্রা শুরু করেছে শিক্ষক ডট কম সাইটটি। সম্প্রতি গুগলের রাইজ অ্যাওয়ার্ড পায় এই ওয়েবসাইটটি। বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক, বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অফ আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক, এবং বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক ড. রাগিব হাসানের অসাধারন উদ্যোগ শিক্ষক ডট কম মুক্ত জ্ঞানের প্রকাশ ও বিকাশের জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এখানে বাংলা ভাষায় নানা বিষয়ে অনলাইন কোর্স দেওয় হচ্ছে এবং হবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো এই কোর্সগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কেউ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এখানে নানা বিষয় শিখতে পারবেন। সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে পরিচালিত এই অবাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মে জ্যোতির্বিজ্ঞান ১০১, কেমিকৌশল পরিচিতি, ক্লাউড কম্পিউটিং, তড়িৎকৌশল পরিচিতি, ফাইন্যান্স ১০১, অর্থবিজ্ঞান পরিচিতি, জিওগ্রাফিক ইনফর্মেশন সিস্টেম [এওঝ] পরিচিতি, পরিবেশ এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পরিচিতি, বায়োইনফরমেটিক্স পরিচিতি, ক্যালকুলাসের অ-আ-ক-খ, সি প্রোগ্রামিং, সি++ প্রোগ্রামিং, পরিবেশ বিজ্ঞান পরিচিতি, নিউরোসায়েন্স পরিচিতি, আইপি টেলিফোনী, প্রোটিনের গঠন, ক্যান্সার ন্যানোটেকনলজি, মেটাবলিক সিনড্রোম পরিচিতি, পরিসংখ্যান পরিচিতিসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে ধারাবাহিক লেকচার প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতিটি লেকচারের সাথেই ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। ফলে একজন শিক্ষার্থী ভিডিও টিউটোরিয়াল ও লেকচার দেখে সহজেই বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারবেন। প্রশিক্ষকদের আগ্রহে নতুন নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে এই সাইটে। যাত্রা শুরুর ৩/৪ মাসেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সাইটটি। রাগিব হাসান ছাড়াও সাইটটিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষার্জনকারীরা এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ঠ বিষয়ে পারদর্শী যে কেউ এই সাইটে শিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সাইটটির ঠিকানা:

বাংলায় কম্পিউটিংয়ের জগত যন্ত্রগনক
কম্পিউটার বিজ্ঞান শিক্ষার বিকাশ ও প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে যন্ত্রগণক নামের একটি ওয়েবসাইট। শিক্ষক ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের কম্পিউটার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক রাগিব হাসানের আরেকটি প্রচেষ্টা এই যন্ত্রগনক। অনলাইনে কম্পিউটার বিজ্ঞান শেখার সুযোগ দিতে তিনি এ সাইটটি তৈরি করেছেন। তিনি জানান, ইতিমধ্যে ৩টি কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। এই কোর্সগুলো হলো- কম্পিউটার নিরাপত্তা ১০১, যন্ত্রগনকের যন্ত্রও মন্ত্রর- গল্পের ছলে অ্যালগরিদম শেখা ও ক্লাউড কম্পিউটিং। এসব বিষয়ে গল্পের সাহায্যে খুব সহজেই শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া লজিক ও ডিস্ক্রিট ম্যাথ বা বিচ্ছিন্ন গণিত ও যুক্তিবিদ্যা এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং নামে দুটি কোর্স খুব শীঘ্রই চালু হবে। তাছাড়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের নানা বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সাইটটিতে। তিন আরো বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলা ভাষায় কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষাকে সহজবোধ্যভাবে সহজ ভাষায় সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ সাইটের মূল উদ্দেশ্য। এতে করে শিক্ষার্থীরা সহজে অনেক কিছু শিখতে পারবে।’ নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছাড়াও অনেকেই নিবন্ধন না করেও এ ওয়েবসাইটের অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রতিটি কোর্সে লেকচার নোট সাইটেও দেওয়া হচ্ছে এবং সঙ্গে সঙ্গে আপলোড করা হচ্ছে ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবেও। প্রতিটি লেকচারের শেষে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য রয়েছে কুইজ। যার জবাব দিলে সঙ্গে সঙ্গে ইমেইলে ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা।
যন্ত্রগণকের সব কোর্স ও লেকচার/ভিডিও যে কেউ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।
জ্যোতিবিজ্ঞান শিক্ষায় সুবর্ণরেখা
যারা জ্যোতিবিজ্ঞান ও বিববর্তনীয় জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন বা করতে চান তাদের জন্য অসাধারণ একটি কাজের সাইট সুবর্ণরেখা। সাধারণত এ ধরনের বিষয়ে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট নেই বললেই চলে। বাংলা ভাষায় শিক্ষার্থীদের এ সম্পর্কিত সম্যক জ্ঞান দিতেই সাইটটির সূচনা। এখানে কোর্স অনুযায়ী না হলেও ধারাবাহিকভাবে জ্যোতিবিজ্ঞান ও বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত শতাধিক লেকচার রয়েছে। আগে বিজ্ঞানপুরী নাম থাকলেও বর্তমানে এটি সুবর্ণরেখা নামে নামকরণ করা হয়েছে। সাইটটির ঠিকানা:
পরীক্ষার আগেই পরীক্ষা
স্কুলে বা বাসায় লেখাপড়া কেমন হচ্ছে তা যাচাইয়ের সুবিধা নিয়ে চালু হয়েছে চ্যাম্পস ২১ নামের একটি ওয়েব পোর্টাল। এখানে অনলাইনের মাধ্যমে তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে আপাতত বিজ্ঞান ও গণিতের পরীক্ষা দিতে পারছে। প্রতিটি অধ্যায় থেকে রয়েছে তিনটি করে পরীক্ষা এবং প্রতিটি পরীক্ষায় থাকছে ২০টি করে প্রশ্ন। বছরে দুটি টার্ম (প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক) পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। পরীক্ষা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাওয়া যাচ্ছে ফলাফল। এ ছাড়া কোনো প্রশ্নের উত্তর ভুল হলে তা কী কারণে ভুল হয়েছে আর সঠিক উত্তরটিও ব্যাখ্যাসহ পাওয়া যাবে। সাইটটি আরো সমৃদ্ধ করার কাজ এখনো এগিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের মতামত বিনিময় করার জন্য রয়েছে চ্যাম্পস ২১ ফোরাম। এখানে স্কুলের পড়ার বাইরে শিক্ষার্থীদের জন্য মজার মজার গল্প, কমিকস, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞানসহ আরও মজার মজার বিষয় রয়েছে। তবে সাইটটিতে এসব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়।

শিশুদের পড়ার অভ্যাস করাতে হলে...

শিশুদের পড়ার অভ্যাস করাতে হলে...

আজকাল বাবা-মায়ের শিশুদের নিয়ে একটি কমন অভিযোগ রয়েছে, তাদের শিশুরা পড়তে চায় না। কিন্তু, ক্লাসে ভালো রেজাল্ট করার জন্য ও কোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য পড়ার তো কোনো বিকল্প নেই। আসলে না পড়তে চাওয়া বিষয়টি শুধু শিশু নয়, বর্তমান প্রজন্মের মধ্যেও বিদ্যমান। মন থেকে আন্তরিকভাবে কিছু পড়ার অভ্যাস আমাদের যেন কমেই চলেছে।
বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে খুব অল্পসংখ্যক তরুণ-তরুণী খুব আগ্রহের সঙ্গে পড়ছে পৃথিবীর বিখ্যাত সব লেখকের গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক, কিংবা কবিতা। খুব কম সংখ্যা ছেলেমেয়েই পড়ছে নামিদামি সব ম্যাগাজিন, জার্নাল কিংবা রিসার্চধর্মী বই। তাছাড়া এ কথাটি তো কমবেশি সবারই জানা যে, দি মোর ইউ রিড, দি মোর ইউ লার্ন! অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ এ পড়ার অভ্যাসটি যদি শৈশব থেকেই সন্তানের মধ্যে গড়ে তুলে দেয়া যায়, তাহলে প্রথম থেকেই ক্লাসে তাদের রেজাল্ট আশানুরূপ হওয়ার পাশাপাশি তাদের যেমন গড়ে উঠবে নিয়মিতভাবে ভালো ভালো সব লেখাপড়ার অভ্যাস, তেমনি প্রতিনিয়তই বাড়তে থাকবে তাদের জ্ঞানের পরিধি। আর পড়ার অভ্যাসটি একবার ভালোমতো গড়ে উঠলে তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সারা জীবনের জন্য ব্যক্তির মধ্যে রয়ে যায়। এখন তাহলে জেনে নিন, শিশুদের মাঝে পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য বাবা-মায়েরা কী করতে পারেন, সেই বিষয়ে সেরা ১০টি টিপস।
১.    সবার আগে নিশ্চিত হোন যে আপনার শিশুর বর্ণমালা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রয়েছে
শিশুকে স্কুলে ভর্তি করার আগেই বাসায় খেলতে খেলতে বর্ণমালা সম্পর্কে ধারণা দিন। তাকে অক্ষর শেখান। ইংরেজি অক্ষরগুলো শেখানোর সময় ছোট ও বড় হাতের অক্ষরগুলোর পার্থক্য ধীরে ধীরে বুঝিয়ে দিন। এতে স্কুলে ভর্তির পর যখন সে দেখবে সে ভালো পারছে, তখন তার আত্মবিশ্বাসও যেমন বাড়বে, তেমনি দূর হয়ে যাবে স্কুলভীতিও। আর পড়ার পূর্বশর্ত তো অবশ্যই অক্ষর ও শব্দগুলো।
২.    প্রতিদিনই শিশুদের সঙ্গে কিছু না কিছু পড়ুন ও পড়ান
প্রতিদিনই শিশুর সঙ্গে কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করুন। পড়ার জন্য এমন কোনো বিষয় বেছে নিন যা শিশুর সঙ্গে সঙ্গে আপনারও ভালো লাগবে। সেটা হতে পারে অত্যন্ত ছন্দময় মজার কোনো সহজ কবিতা, হতে পারে ছোট কোনো গল্প বা রূপকথা, কিংবা হতে পারে টিনটিনের মতো মজার ও জনপ্রিয় কোনো চরিত্রের কার্টুন বই। তবে অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে, একই বই যেন বারবার না পড়ানো হয়ে যায়। একই বই বারবার পড়ালে তাদের কাছে বিষয়টি বোরিং হয়ে যেতে পারে।
৩.    নার্সারি লেভেলের ছড়াগুলো শিশুদের সঙ্গে পড়ুন ও পড়ান
শিশুকে স্কুলে ভর্তির আগে তাকে নার্সারি লেভেলের ছড়াগুলো শিখিয়ে দিন। তাদের প্রয়োজনে ছড়াগুলো অভিনয় করে পড়ান, সঙ্গে সঙ্গে তাদেরও অভিনয় করে আবৃত্তি করতে বলুন। বইয়ে ছাপা কবিতার শব্দগুলোতে হাত দিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে পড়তে বলুন। ধীরে ধীরে তাদের কবিতাটি মুখস্থ করে দিন। যখন সে নার্সারিতে ভর্তি হবে, তখন সেই হয়তো এগিয়ে থাকবে সবার চেয়ে বেশি, আর পড়ালেখায় তার আগ্রহও বেড়ে যাবে বহুগুণ।
৪.    শিশুদের জন্য পড়ার পরিবেশ তৈরি করে দিন
যদি সম্ভব হয় তাহলে শিশুর জন্য আলাদা একটি পড়ার রুমের ব্যবস্থা করে দিন। তা সম্ভব না হলে শিশু যে রুমে ঘুমায়, সেই রুমের কোনায় একটি রিডিং টেবিল দিয়ে দিন। রিডিং টেবিলে তাক সিস্টেম থাকলে ভালো হয়। টেবিলের গায়ে শিশুর প্রিয় কার্টুন চরিত্রের স্টিকার লাগিয়ে দিন। অনেক সময় দেখা যায়, মনের মতো পরিবেশের অভাবেও শিশু পড়তে চায় না। এ রুমে তার খেলনাগুলোও রাখতে পারেন। আর সবচেয়ে ভালো তারই সুন্দর সুন্দর সেরা সিঙ্গেল ছবিগুলো বড় করে প্রিন্ট করে ওই রুমের দেয়ালে লাগিয়ে দিন।
৫.    প্রতিদিনই শিশুদের জানান (এবং আপনি নিজেও বিশ্বাস করুন) সে একটি স্মার্ট শিশু ও ভালো পড়ুয়া
কারণে-অকারণে শিশুকে উৎসাহ দিন। শিশুর সার্বিক বিকাশে উৎসাহ দেয়ার বিকল্প কিছু নেই। শিশুকে জানান, সে খুব ভালো পড়তে পারে এবং তার পড়ার আগ্রহ অন্যদের চেয়ে বেশি। তুমি যত বেশি পড়বে, অন্যদের চেয়ে তত বেশি জানবে ও তত বেশি এগিয়ে যাবে। তাকে বলুন, তুমি খুব স্মার্ট। আর স্মার্টদের অনেক কিছু জানতে হয়, তাই তাদের অনেক কিছু পড়তে হয়।
৬.    শিশুকে তার শিক্ষক ও স্কুল সম্পর্কে পজিটিভ কথা বলুন
অনেক শিশুরই স্কুলভীতি থাকে। তারা অনেক সময় ধরে নেয়, স্কুল মানেই কড়া কড়া টিচারের বকুনি আর দুষ্টু ক্লাসমেটদের দুষ্টুমির শিকার হওয়া। এতে করে তাদের মধ্যে শুরুতেই স্কুলের প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে পড়ালেখার ওপর। তাই শিশুদের স্কুলে দেয়ার আগে স্কুল ও টিচার সম্পর্কে ভালো কথা বলুন। তাদের জানান, স্কুলে তুমি যেমন ভালো ভালো খেলার সাথী পাবে, তেমনি পাবে তোমার যত্ন নেয়ার জন্য ভালো ভালো টিচার।
৭.    পড়ার পাশাপাশি শিশুদের লিখতে উৎসাহ দিন
পড়ার পাশাপাশি তাদের যে কোনো কিছু লিখতে উৎসাহ দিন। তাকে নিজের থেকে ছড়া মিনি গল্প, কিংবা আজ স্কুলে সে কী কী করল তা লিখতে বলুন। এতে করে তার সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। তার লেখায় অনেক ভুল থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। তাই তাকে সবার আগে চমৎকার লেখার জন্য বাহবা দিয়ে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ভুলগুলো ধীরে ধীরে শুধরে দিন। হতে পারে, আপনার শিশুর মধ্যেই লুকিয়ে আছে বড় কোনো লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, গীতিকার, জার্নালিস্ট কিংবা কলামিস্টের প্রতিভা!
৮.    শিশুর সঙ্গে কথা বলুন, তাকে প্রশ্ন করুন, তার কাছ থেকে প্রশ্ন শুনুন
শিশুর সঙ্গে তার পছন্দ-অপছন্দ, চাওয়া-পাওয়া নিয়ে কথা বলুন। সে কী কী বিষয়ে পড়তে উৎসাহবোধ করে অথবা আপনি তাকে কোন কোন বিষয় পড়ালে সে আনন্দ পায়, তাকে প্রশ্ন করে জেনে নিন। তার পছন্দের বিষয়েই আপনি বেশি করে মনোনিবেশ করুন। শিশু যদি পড়ার মধ্যে আনন্দ একবার পেয়ে যায়, তাহলে সেটা হবে আপনার জন্য অনেক বড় একটি প্রাপ্তি। পাশাপাশি আপনি এও তার কাছ থেকে জেনে নিন, কী কী বিষয় পড়তে তার ভালো লাগে না।
৯.    মাঝেমধ্যে শিশুর সঙ্গে তার স্কুলে গিয়ে তার বিষয়ে টিচারদের সঙ্গে কথা বলুন
যখন সময় পাবেন, কিংবা শিশুকে স্কুলে দিয়ে বা নিয়ে আসার সময় তার বিষয়ে টিচারদের সঙ্গে কথা বলুন। তার ক্লাস পারফরম্যান্সের বিষয়ে আলাপ করুন। কিংবা তার বিষয়ে কোনো কথা জানানোর থাকলে তা টিচারদের অবহিত করুন। এতে করে টিচাররা তার বিষয়ে সঠিক যত্নটি নিতে পারবেন। আর আপনার শিশুরও এটা দেখে ভালো লাগবে, তার বিষয়ে আপনি কতটা যত্নবান।
১০.    তাকে পুরস্কৃত করুন
সুযোগ পেলেই শিশুকে পুরস্কৃত করুন। নতুন নতুন খেলনার বায়না তো শিশুদের লেগেই থাকে। আর সেটা তাকে যেহেতু কিনে দিতেই হয়, তাই সে কিছুর বায়না করার আগেই তাকে বলুন-তুমি যদি এ বইটা সুন্দর করে পড়া শেষ করতে পারো তাহলে তোমার জন্য সুন্দর একটি গিফট রয়েছে। নিজ চোখেই না হয় পরখ করে দেখুন যে এ টিপসটা কতটা কার্যকর! কিংবা একটি বই শেষ করার পর হঠাৎই তার সামনে এক বাটি আইসক্রিম দিয়েই দেখুন না! এগুলোই ছিল বাছাই করা সেরা সব টিপস। লেট ইজ বেটার দ্যান নেভার! তাই, আরো দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই শিশুদের পড়ার বিষয়টিতে মনোযোগ দিন।

 

ইংরেজি শেখার ওযেব সাইট

লেখাপড়া

লেখাপড়া

লেখাপড়া ভীষণ তেতো
ঠিক ঔষধেরই মত,
বইয়ের ভেতর আছে কেবল
শক্ত কঠিন যত ।
অংক বড় শক্ত লাগে
ইংরেজী ও তাই ।
ভূগোল পাকায় তালগোল
কি যে করি ভাই
ইতিহাসের সন কাল
মনে যে থাকে না,
পৌরনীতি পড়ি যখন
বুঝে আসে না ।
তবু আমায় পড়তে হবে
জেনে গেছি ভাই,
মানুষ যেন হতে পারি
সবার দোয়া চাই ।

নির্ভুল ইংরেজি শিখুন সহজেই

নির্ভুল ইংরেজি শিখুন সহজেই
ইংরেজি জানা ছাড়া আজকাল দৈনন্দিন জীবনে চলাটা খুব কঠিন হয়ে যায়। যদি আপনি ছাত্র হন, তবে উচ্চশিক্ষার বেশিরভাগ বই গবেষণাপত্র ইংরেজিতেই লেখা। আবার আপনি যদি চাকরিজীবী হন কোনো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে, তবে ভালো ইংরেজি জানাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য একেবারেই জরুরি। কিংবা আপনি হতে পারেন সাহিত্য বা জ্ঞানপিপাসু, সে ক্ষেত্রে বিশ্বের সব ভাষায় লেখা সেরা গ্রন্থগুলো অনূদিত হয় কিন্তু ইংরেজিতেই। সে ক্ষেত্রেও এই ভাষার উপরে ভালো দখল আপনাকে সহায়তা করবে। এছাড়া যে দেশেই যান না কেন এই আন্তর্জাতিক ভাষার প্রয়োজন আপনার পড়বেই পড়বে। হয়তো ভাবছেন আপনার সময় নেই, কিংবা ছাত্রজীবন পার করে এসেছেন তাই আর সম্ভব নয়। কিন্তু এটা আসলেই কোনো কঠিন বিষয় নয়। বরং অযথা ভুলভাল ইংরেজি বলার চাইতে নিজের চেষ্টাতেই শিখে নিন নির্ভুলভাবে ভাষাটি। তেমন আহামরি বাড়তি সময় ব্যয় না করেই সহজে ইংরেজি শিখতে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস একটু পালন করার চেষ্টা করুন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিজের উন্নতিতে বিস্মিত বোধ করবেন।
) শব্দভাণ্ডার বাড়ান : শব্দভাণ্ডার বাড়ান। বেশিরভাগ সময়ে যা হয় তা হলো, ব্যাকরণ ভালো জানা সত্ত্বেও আমরা সঠিক সময়ে সঠিক শব্দের প্রয়োগ করতে পারি না। তাই, ইংরেজির শব্দভাণ্ডার বাড়াতে হবে আগে। প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর ইংরেজি প্রতিশব্দগুলো রোজ কিছু কিছু করে শিখে ফেলুন।
) মুভি দেখুন : বাড়িয়ে বলছি না একটুও। মুভি দেখা আপনার ইংরেজি জ্ঞান বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই। ব্রিটিশ আমেরিকান মুভিগুলো দেখার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে সাবটাইটেলসহ মুভি দেখুন। এতে আপনি উচ্চারণ শুনে বুঝতে না পারলে তা লেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। এভাবে আপনার লিসনিং এর দক্ষতা বাড়বে। এর পর ধীরে ধীরে সাবটাইটেল ছাড়া মুভি দেখুন। দেখবেন আপনি সাবটাইটেল ছাড়াই অনেকটাই বুঝতে পারছেন। এভাবে ধীরে ধীরে এক সময়ে পুরোটাই বুঝতে সক্ষম হবেন।
) শুনুন : ইংরেজি গান শুনুন। প্রথম দিকে ধীরলয়ের। লিরিকস হাতে রাখুন। ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। মুভির মতোই কিছুদিন পরে আপনার আর লিরিকসের প্রয়োজন পড়বে না। এতে শুধু আপনার শোনার দক্ষতাই বাড়বে না, বরং শব্দভাণ্ডারও বাড়বে।
) গ্রামার চর্চা করুন : গ্রামার লাগবেই। তাই গ্রামারের নিয়মগুলো বই থেকে রোজ কিছু কিছু হলেও চর্চা করুন। কাজে লাগবে।
) পত্রিকা পড় : প্রতিদিন ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রথম কিছুদিন শুধু হেডলাইনগুলো পড়ন। যে যে শব্দগুলো নতুন মনে হচ্ছে সেগুলোর অর্থ জেনে নিন। এরপর কিছু ি ছোট ছোট আর্টিকেলগুলো পড়ন। তারপর বড়গুলো। মনে রাখবেন, এক দিনেই পুরো পত্রিকা পড়ার দরকার নেই, এতে সাহ বাড়ার বদলে হতাশ হয়ে যেতে পারেন। ধীরে ধীরে এগোন।
) সঙ্গে একটি ছোট ডিকশনারি রাখুন : ছোট্ট একটি পকেট বাংলা টু ইংরেজি ডিকশনারি সঙ্গে রাখতে পারেন। ধরুন বাসে বা গাড়িতে কোথাও যাচ্ছেন, এমন সময় আপনার পাশে ফুটপাতের কাঁচাবাজার পড়ল। দেখে নিন তো, কোন কোন সবজিগুলোর ইংরেজি নাম আপনি জানেন! আর যেগুলো জানেন না, সেগুলো জেনে নেয়ার জন্য তো আপনার কাছে ডিকশনারি আছেই।
) কথোপকথন করুন : বন্ধু, পরিবারের কেউ বা অফিসের কোনো কলিগের সঙ্গে দৈনিক কিছু সময়ের জন্য হলেও ইংরেজিতে কথা বলুন। ভুল ভ্রান্তি হবেই, তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। যা খুশি বলুন। যেখানে যেখানে আটকে যাবেন, একে অন্যের সহযোগিতা নিন কিংবা সহায়ক বইয়ের সাহায্য নিন। এটা আপনার বলার জড়তা কাটাতে সহায়তা করবে।
) ডায়েরি লিখুন : আমাদের অনেকেরই ডায়েরি লেখার অভ্যাস আছে। অনেক দিন পর পর নিজের লেখা ডায়েরি পড়াটা আসলেই অন্যরকম। স্মৃতিগুলোকে অক্ষরের বুনোটে আটকে রাখার এই কাজটাই করুন এবার, কিন্তু ইংরেজিতে। প্রতি দিনের কোনো না কোনো ঘটনা নিয়ে রোজ ডায়েরিতে এক পৃষ্ঠা হলেও লিখুন। এভাবে লিখতে গিয়ে আপনি নানা শব্দের ইংরেজি খুঁজতে গিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন শব্দের সঙ্গে পরিচিত হবেন।
) অনুবাদ করুন : প্রতিদিন পত্রিকার কোনো একটা আর্টিকেলের অনুবাদ করুন নিজে নিজেই। এতে আপনার লেখার দক্ষতা বাড়বে। সে সঙ্গে ভাষাজ্ঞানও।
১০) ইংরেজি কোর্স করুন : কাজের ফাঁকে ফাঁকে ছোট একটা ইংরেজি শেখার কোর্সও করে ফেলতে পারেন। একা একা না করে যদি সম্ভব হয় পরিচিত কেউ বা কোন বন্ধুর সঙ্গে একসঙ্গে কোর্স করতে পারেন। এতে চর্চাটা ভালো হবে। এছাড়া বাজার থেকে কিনে ফেলতে পারেন ঘরে বসে ইংরেজি চর্চার সিডি ডিভিডি। এগুলো দেখে দেখে অবসর সময়ে ঝালিয়ে নিতপারেন নিজেকে।
১১) নিজে নিজে চর্চা করুন : নিজে নিজে বাসায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ইংরেজি বলার অভ্যাস করুন। কিংবা বাসায় জোরে জোরে পড়তে পারেন ইংরেজি পত্রিকা বা বই। এভাবে ধীরে ধীরে আপনার ইংরেজি বলার জড়তা কেটে যাবে।
যেহেতু ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয়, তাই, শিখতে একটু সময় আর শ্রম তো লাগবেই। তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। এখনো দেরি হয়ে যায়নি। আজ আর এই মুহূর্ত থেকেই শুরু করুন না! আর তফাতটা দেখুন নিজেই বা অন্যের প্রশংসা মেশানো দৃষ্টিতেই!
- See more at: http://manobkantha.com/2013/08/19/134751.html#sthash.uOwnG7Yu.dpuf

নির্ভুল ইংরেজি শিখুন সহজেই
ইংরেজি জানা ছাড়া আজকাল দৈনন্দিন জীবনে চলাটা খুব কঠিন হয়ে যায়। যদি আপনি ছাত্র হন, তবে উচ্চশিক্ষার বেশিরভাগ বই ও গবেষণাপত্র ইংরেজিতেই লেখা। আবার আপনি যদি চাকরিজীবী হন কোনো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে, তবে ভালো ইংরেজি জানাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য একেবারেই জরুরি। কিংবা আপনি হতে পারেন সাহিত্য বা জ্ঞানপিপাসু, সে ক্ষেত্রে বিশ্বের সব ভাষায় লেখা সেরা গ্রন্থগুলো অনূদিত হয় কিন্তু ইংরেজিতেই। সে ক্ষেত্রেও এই ভাষার উপরে ভালো দখল আপনাকে সহায়তা করবে। এছাড়া যে দেশেই যান না কেন এই আন্তর্জাতিক ভাষার প্রয়োজন আপনার পড়বেই পড়বে। হয়তো ভাবছেন আপনার সময় নেই, কিংবা ছাত্রজীবন পার করে এসেছেন তাই আর সম্ভব নয়। কিন্তু এটা আসলেই কোনো কঠিন বিষয় নয়। বরং অযথা ভুলভাল ইংরেজি বলার চাইতে নিজের চেষ্টাতেই শিখে নিন নির্ভুলভাবে ভাষাটি। তেমন আহামরি বাড়তি সময় ব্যয় না করেই সহজে ইংরেজি শিখতে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস। একটু পালন করার চেষ্টা করুন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিজের উন্নতিতে বিস্মিত বোধ করবেন।
১) শব্দভাণ্ডার বাড়ান : শব্দভাণ্ডার বাড়ান। বেশিরভাগ সময়ে যা হয় তা হলো, ব্যাকরণ ভালো জানা সত্ত্বেও আমরা সঠিক সময়ে সঠিক শব্দের প্রয়োগ করতে পারি না। তাই, ইংরেজির শব্দভাণ্ডার বাড়াতে হবে আগে। প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর ইংরেজি প্রতিশব্দগুলো রোজ কিছু কিছু করে শিখে ফেলুন।
২) মুভি দেখুন : বাড়িয়ে বলছি না একটুও। মুভি দেখা আপনার ইংরেজি জ্ঞান বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই। ব্রিটিশ ও আমেরিকান মুভিগুলো দেখার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে সাবটাইটেলসহ মুভি দেখুন। এতে আপনি উচ্চারণ শুনে বুঝতে না পারলে তা লেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। এভাবে আপনার লিসনিং এর দক্ষতা বাড়বে। এর পর ধীরে ধীরে সাবটাইটেল ছাড়া মুভি দেখুন। দেখবেন আপনি সাবটাইটেল ছাড়াই অনেকটাই বুঝতে পারছেন। এভাবে ধীরে ধীরে এক সময়ে পুরোটাই বুঝতে সক্ষম হবেন।
৩) গান শুনুন : ইংরেজি গান শুনুন। প্রথম দিকে ধীরলয়ের। লিরিকস হাতে রাখুন। ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। মুভির মতোই কিছুদিন পরে আপনার আর লিরিকসের প্রয়োজন পড়বে না। এতে শুধু আপনার শোনার দক্ষতাই বাড়বে না, বরং শব্দভাণ্ডারও বাড়বে।
৪) গ্রামার চর্চা করুন : গ্রামার তো লাগবেই। তাই গ্রামারের নিয়মগুলো বই থেকে রোজ কিছু কিছু হলেও চর্চা করুন। কাজে লাগবে।
৫) পত্রিকা পড়–ন : প্রতিদিন ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রথম কিছুদিন শুধু হেডলাইনগুলো পড়–ন। যে যে শব্দগুলো নতুন মনে হচ্ছে সেগুলোর অর্থ জেনে নিন। এরপর কিছু দিন ছোট ছোট আর্টিকেলগুলো পড়–ন। তারপর বড়গুলো। মনে রাখবেন, এক দিনেই পুরো পত্রিকা পড়ার দরকার নেই, এতে উৎসাহ বাড়ার বদলে হতাশ হয়ে যেতে পারেন। ধীরে ধীরে এগোন।
৬) সঙ্গে একটি ছোট ডিকশনারি রাখুন : ছোট্ট একটি পকেট বাংলা টু ইংরেজি ডিকশনারি সঙ্গে রাখতে পারেন। ধরুন বাসে বা গাড়িতে কোথাও যাচ্ছেন, এমন সময় আপনার পাশে ফুটপাতের কাঁচাবাজার পড়ল। দেখে নিন তো, কোন কোন সবজিগুলোর ইংরেজি নাম আপনি জানেন! আর যেগুলো জানেন না, সেগুলো জেনে নেয়ার জন্য তো আপনার কাছে ডিকশনারি আছেই।
৭) কথোপকথন করুন : বন্ধু, পরিবারের কেউ বা অফিসের কোনো কলিগের সঙ্গে দৈনিক কিছু সময়ের জন্য হলেও ইংরেজিতে কথা বলুন। ভুল ভ্রান্তি হবেই, তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। যা খুশি বলুন। যেখানে যেখানে আটকে যাবেন, একে অন্যের সহযোগিতা নিন কিংবা সহায়ক বইয়ের সাহায্য নিন। এটা আপনার বলার জড়তা কাটাতে সহায়তা করবে।
৮) ডায়েরি লিখুন : আমাদের অনেকেরই ডায়েরি লেখার অভ্যাস আছে। অনেক দিন পর পর নিজের লেখা ডায়েরি পড়াটা আসলেই অন্যরকম। স্মৃতিগুলোকে অক্ষরের বুনোটে আটকে রাখার এই কাজটাই করুন এবার, কিন্তু ইংরেজিতে। প্রতি দিনের কোনো না কোনো ঘটনা নিয়ে রোজ ডায়েরিতে এক পৃষ্ঠা হলেও লিখুন। এভাবে লিখতে গিয়ে আপনি নানা শব্দের ইংরেজি খুঁজতে গিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন শব্দের সঙ্গে পরিচিত হবেন।
৯) অনুবাদ করুন : প্রতিদিন পত্রিকার কোনো একটা আর্টিকেলের অনুবাদ করুন নিজে নিজেই। এতে আপনার লেখার দক্ষতা বাড়বে। সে সঙ্গে ভাষাজ্ঞানও।
১০) ইংরেজি কোর্স করুন : কাজের ফাঁকে ফাঁকে ছোট একটা ইংরেজি শেখার কোর্সও করে ফেলতে পারেন। একা একা না করে যদি সম্ভব হয় পরিচিত কেউ বা কোন বন্ধুর সঙ্গে একসঙ্গে কোর্স করতে পারেন। এতে চর্চাটা ভালো হবে। এছাড়া বাজার থেকে কিনে ফেলতে পারেন ঘরে বসে ইংরেজি চর্চার সিডি ও ডিভিডি। এগুলো দেখে দেখে অবসর সময়ে ঝালিয়ে নিতে পারেন নিজেকে।
১১) নিজে নিজে চর্চা করুন : নিজে নিজে বাসায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ইংরেজি বলার অভ্যাস করুন। কিংবা বাসায় জোরে জোরে পড়তে পারেন ইংরেজি পত্রিকা বা বই। এভাবে ধীরে ধীরে আপনার ইংরেজি বলার জড়তা কেটে যাবে।
যেহেতু ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয়, তাই, শিখতে একটু সময় আর শ্রম তো লাগবেই। তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। এখনো দেরি হয়ে যায়নি। আজ আর এই মুহূর্ত থেকেই শুরু করুন না! আর তফাতটা দেখুন নিজেই বা অন্যের প্রশংসা মেশানো দৃষ্টিতেই!
- See more at: http://manobkantha.com/2013/08/19/134751.html#sthash.uOwnG7Yu.dpuf
নির্ভুল ইংরেজি শিখুন সহজেই
ইংরেজি জানা ছাড়া আজকাল দৈনন্দিন জীবনে চলাটা খুব কঠিন হয়ে যায়। যদি আপনি ছাত্র হন, তবে উচ্চশিক্ষার বেশিরভাগ বই ও গবেষণাপত্র ইংরেজিতেই লেখা। আবার আপনি যদি চাকরিজীবী হন কোনো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে, তবে ভালো ইংরেজি জানাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য একেবারেই জরুরি। কিংবা আপনি হতে পারেন সাহিত্য বা জ্ঞানপিপাসু, সে ক্ষেত্রে বিশ্বের সব ভাষায় লেখা সেরা গ্রন্থগুলো অনূদিত হয় কিন্তু ইংরেজিতেই। সে ক্ষেত্রেও এই ভাষার উপরে ভালো দখল আপনাকে সহায়তা করবে। এছাড়া যে দেশেই যান না কেন এই আন্তর্জাতিক ভাষার প্রয়োজন আপনার পড়বেই পড়বে। হয়তো ভাবছেন আপনার সময় নেই, কিংবা ছাত্রজীবন পার করে এসেছেন তাই আর সম্ভব নয়। কিন্তু এটা আসলেই কোনো কঠিন বিষয় নয়। বরং অযথা ভুলভাল ইংরেজি বলার চাইতে নিজের চেষ্টাতেই শিখে নিন নির্ভুলভাবে ভাষাটি। তেমন আহামরি বাড়তি সময় ব্যয় না করেই সহজে ইংরেজি শিখতে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস। একটু পালন করার চেষ্টা করুন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিজের উন্নতিতে বিস্মিত বোধ করবেন।
১) শব্দভাণ্ডার বাড়ান : শব্দভাণ্ডার বাড়ান। বেশিরভাগ সময়ে যা হয় তা হলো, ব্যাকরণ ভালো জানা সত্ত্বেও আমরা সঠিক সময়ে সঠিক শব্দের প্রয়োগ করতে পারি না। তাই, ইংরেজির শব্দভাণ্ডার বাড়াতে হবে আগে। প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর ইংরেজি প্রতিশব্দগুলো রোজ কিছু কিছু করে শিখে ফেলুন।
২) মুভি দেখুন : বাড়িয়ে বলছি না একটুও। মুভি দেখা আপনার ইংরেজি জ্ঞান বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই। ব্রিটিশ ও আমেরিকান মুভিগুলো দেখার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে সাবটাইটেলসহ মুভি দেখুন। এতে আপনি উচ্চারণ শুনে বুঝতে না পারলে তা লেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। এভাবে আপনার লিসনিং এর দক্ষতা বাড়বে। এর পর ধীরে ধীরে সাবটাইটেল ছাড়া মুভি দেখুন। দেখবেন আপনি সাবটাইটেল ছাড়াই অনেকটাই বুঝতে পারছেন। এভাবে ধীরে ধীরে এক সময়ে পুরোটাই বুঝতে সক্ষম হবেন।
৩) গান শুনুন : ইংরেজি গান শুনুন। প্রথম দিকে ধীরলয়ের। লিরিকস হাতে রাখুন। ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। মুভির মতোই কিছুদিন পরে আপনার আর লিরিকসের প্রয়োজন পড়বে না। এতে শুধু আপনার শোনার দক্ষতাই বাড়বে না, বরং শব্দভাণ্ডারও বাড়বে।
৪) গ্রামার চর্চা করুন : গ্রামার তো লাগবেই। তাই গ্রামারের নিয়মগুলো বই থেকে রোজ কিছু কিছু হলেও চর্চা করুন। কাজে লাগবে।
৫) পত্রিকা পড়–ন : প্রতিদিন ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রথম কিছুদিন শুধু হেডলাইনগুলো পড়–ন। যে যে শব্দগুলো নতুন মনে হচ্ছে সেগুলোর অর্থ জেনে নিন। এরপর কিছু দিন ছোট ছোট আর্টিকেলগুলো পড়–ন। তারপর বড়গুলো। মনে রাখবেন, এক দিনেই পুরো পত্রিকা পড়ার দরকার নেই, এতে উৎসাহ বাড়ার বদলে হতাশ হয়ে যেতে পারেন। ধীরে ধীরে এগোন।
৬) সঙ্গে একটি ছোট ডিকশনারি রাখুন : ছোট্ট একটি পকেট বাংলা টু ইংরেজি ডিকশনারি সঙ্গে রাখতে পারেন। ধরুন বাসে বা গাড়িতে কোথাও যাচ্ছেন, এমন সময় আপনার পাশে ফুটপাতের কাঁচাবাজার পড়ল। দেখে নিন তো, কোন কোন সবজিগুলোর ইংরেজি নাম আপনি জানেন! আর যেগুলো জানেন না, সেগুলো জেনে নেয়ার জন্য তো আপনার কাছে ডিকশনারি আছেই।
৭) কথোপকথন করুন : বন্ধু, পরিবারের কেউ বা অফিসের কোনো কলিগের সঙ্গে দৈনিক কিছু সময়ের জন্য হলেও ইংরেজিতে কথা বলুন। ভুল ভ্রান্তি হবেই, তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। যা খুশি বলুন। যেখানে যেখানে আটকে যাবেন, একে অন্যের সহযোগিতা নিন কিংবা সহায়ক বইয়ের সাহায্য নিন। এটা আপনার বলার জড়তা কাটাতে সহায়তা করবে।
৮) ডায়েরি লিখুন : আমাদের অনেকেরই ডায়েরি লেখার অভ্যাস আছে। অনেক দিন পর পর নিজের লেখা ডায়েরি পড়াটা আসলেই অন্যরকম। স্মৃতিগুলোকে অক্ষরের বুনোটে আটকে রাখার এই কাজটাই করুন এবার, কিন্তু ইংরেজিতে। প্রতি দিনের কোনো না কোনো ঘটনা নিয়ে রোজ ডায়েরিতে এক পৃষ্ঠা হলেও লিখুন। এভাবে লিখতে গিয়ে আপনি নানা শব্দের ইংরেজি খুঁজতে গিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন শব্দের সঙ্গে পরিচিত হবেন।
৯) অনুবাদ করুন : প্রতিদিন পত্রিকার কোনো একটা আর্টিকেলের অনুবাদ করুন নিজে নিজেই। এতে আপনার লেখার দক্ষতা বাড়বে। সে সঙ্গে ভাষাজ্ঞানও।
১০) ইংরেজি কোর্স করুন : কাজের ফাঁকে ফাঁকে ছোট একটা ইংরেজি শেখার কোর্সও করে ফেলতে পারেন। একা একা না করে যদি সম্ভব হয় পরিচিত কেউ বা কোন বন্ধুর সঙ্গে একসঙ্গে কোর্স করতে পারেন। এতে চর্চাটা ভালো হবে। এছাড়া বাজার থেকে কিনে ফেলতে পারেন ঘরে বসে ইংরেজি চর্চার সিডি ও ডিভিডি। এগুলো দেখে দেখে অবসর সময়ে ঝালিয়ে নিতে পারেন নিজেকে।
১১) নিজে নিজে চর্চা করুন : নিজে নিজে বাসায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ইংরেজি বলার অভ্যাস করুন। কিংবা বাসায় জোরে জোরে পড়তে পারেন ইংরেজি পত্রিকা বা বই। এভাবে ধীরে ধীরে আপনার ইংরেজি বলার জড়তা কেটে যাবে।
যেহেতু ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয়, তাই, শিখতে একটু সময় আর শ্রম তো লাগবেই। তাই বলে হাল ছেড়ে দেবেন না। এখনো দেরি হয়ে যায়নি। আজ আর এই মুহূর্ত থেকেই শুরু করুন না! আর তফাতটা দেখুন নিজেই বা অন্যের প্রশংসা মেশানো দৃষ্টিতেই!
- See more at: http://manobkantha.com/2013/08/19/134751.html#sthash.uOwnG7Yu.dpuf

Reading test(question no 3 and 4, 6 for JSC Exam

Reading test(question no 3 and 4)
1.     The city with the highest temperature ---------------------- both London and Hong Kong.
2.     Amnesty International is a non-governmental------------------ of Human Rights in 1978.
3.     The Ancient Olympic Games ------------------ not held again until the late 19th century.
4.     Apple Inc. is an American ------------------------- environmental and business practices.
5.     The series of protests and demonstrations -------------------- unrest outside the region.
6.     Many countries around the world ----------------------- International Mother Earth Day.
7.     The World Food Programme (WFP) is ------------------ labour-intensive works program.
8.     Martin Luther King, Jr. was an American ------------------------------------- holiday in 1986.
9.     Nelson Rolihlahla Mandela ----------------------------------- expand healthcare services.
10.            The modern Mother's Day is -----------------------      gift to mothers on the occasion.
11.             The Academy Awards, informally known as The Oscars, ----------- six-figure sums.
12.            The modern pizza was originally ------------------------------ variants based upon pizza.
13.            Louisiana hosts one of the most --------------------- ----------------------------- Mardi Gras.
14.            International Women's Day (IWD) is marked --------------------------- status they merit.
15.            Rosa Parks' first event ------------------------------------------ honor at the Capitol Rotunda.
16.            The Food and Agriculture Organization -------------------------------- let there be bread".
17.            The United Nations was ---------------------------------------- French, Russian, and Spanish.
18.            UNICEF stands for ---------------------------------------- Asturias Award of Concord in 2006.
19.            The World Health Organization (WHO ------------------------------ every year on 7 April.
20.            The struggle to have eight hours ------------------------------------- strike and hold unions.
21.            Mother Theresa -------------------------------------------------
        
c)      Reading test(question no 6)
1.      Patriotism is a love for country. It -----------------------------------------war and sufferings.
2.      Education is the process ---------------------------------------------rights and responsibilities.
3.       In this life there is no gain -----------------------------------------------------------examination.
4.      Good manners ------------------------------------------------------------- true sense of the term.
5.      Sincerity is the root of --------------------------------------------------------sincere to our work.
6.      All our food comes from the soil. Some ------------------------------------------human away.
7.      Newspaper plays a vital role ------------------------------------------------avoid the bad ones.
8.      We have plenty of water ------------------------------------------------------------need to know.
9.      People say, “Health is wealth” ------------------------------------------------people’s feelings.
10.  The secret of success ----------------------------------------------------------proper use of time.
11.  Sports are popular form of -------------------------------------------------------------way to this.
12.  Man is the maker o9f own ---------------------------------------------------------key to success.
13.  Smoking is a very ---------------------------------------------------------- themselves from smoking.
14.  The liberty of the individual ----------------------------------------------------------is irreconcilable.
15.  Illiteracy is a curse ------------------------------------------------------------their primary education.
16.  The use of English as the common ------------------------------------------------of their students.

Composition on Female Education in Bangladesh for Examination

  Female Education in Bangladesh Education is a light to which everybody has the equal right. Education is the backbone of a nation. The ...